1. shahidteknaf11@gmail.com : Shahid Ullah Shaheed : Shahid Ullah Shaheed
  2. teknafsangbad@gmail.com : Teknafsangbad :
বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২০, ০৮:৩৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
টেকনাফে নারী ধর্ষন ও নির্যাতন বিরোধী সমাবেশ অনুষ্ঠিত টেকনাফ পৌরশহরের গনি মার্কেটে “ঢাকা কস্তুরী” হোটেলের খাবারে টিকটিকি আজ ৩২৫ করোনা টেস্টে টেকনাফে পজেটিভ ০ টেকনাফ-কক্সবাজারে ঝাঁকে ঝাঁকে ধরা পড়ছে ডিমওয়ালা ইলিশ টেকনাফে উপজেলার স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও সাংবাদিকদের নিয়ে এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত রোহিঙ্গাদের ফেরাতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের আরও কার্যকর ভূমিকা চান প্রধানমন্ত্রী চাল-ডাল, তেলের বাজার গরম , কমেছে আদা ও মুরগির দাম বাংলাদেশি প্রবাসীদের আকামার মেয়াদ ২৪ দিন বাড়িয়েছে সৌদি আরব ওমরাহ পালনে কাবা ঘর খুলে দিচ্ছে সৌদি টেকনাফে ছাত্র,ছত্রীদের ঘরে ঘরে বিস্কুট ও খেজুর পাঠালেন ইউএনও সাইফুল ইসলাম

রোহিঙ্গাদের ফেরাতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের আরও কার্যকর ভূমিকা চান প্রধানমন্ত্রী

  • Update Time : শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২০
  • ৮৭ Time View

টেকনাফ সংবাদ ডেস্ক :::

কক্সবাজারে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গা শরণার্থীদের নিজ দেশে ফেরাতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের আরও কার্যকর ভূমিকা চান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৭৫তম অধিবেশন ভাষণ প্রদানকালে বিশ্বনেতাদের উদ্দেশ্যে প্রধানমন্ত্রী একথা বলেন।

এসময় তিনি বলেন, ‘সকলের সঙ্গে বন্ধুত্ব কারো সঙ্গে বৈরিতা নয়’, এই নীতিবাক্য আমাদের পররাষ্ট্র নীতির মূলমন্ত্র। এ মন্ত্রে উদ্বুদ্ধ হয়ে বাংলাদেশ শান্তি ও নিরাপত্তা রক্ষা এবং শান্তির সংস্কৃতি বিনির্মাণে নিয়মিত অবদান রেখে চলেছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমাদের স্বাধীনতার সংগ্রামে বাঙালি জাতি অবর্ণনীয় দুর্দশা, মানবতা বিরোধী অপরাধ ও গণহত্যার মত জঘন্য অপরাধের শিকার হয়েছে। সেই কষ্টকর অভিজ্ঞতা থেকেই আমরা নিপীড়িত ফিলিস্তিনি জনগণের ন্যায়সঙ্গত দাবির প্রতি সমর্থন দিয়ে আসছি।

বাংলাদেশ ১১ লাখেরও বেশি জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত মিয়ানমারের নাগরিককে আশ্রয় প্রদান করেছে। তিন বছরের বেশি সময় অতিক্রান্ত হলেও এখন পর্যন্ত মিয়ানমার একজন রোহিঙ্গাকেও ফেরত নেয়নি। এই সমস্যা মিয়ানমারের সৃষ্টি এবং এর সমাধান মিয়ানমারকেই করতে হবে। আমি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে এ ব্যাপারে আরও কার্যকর ভূমিকা গ্রহণের অনুরোধ জানাচ্ছি।

শেখ হাসিনা বলেন, মহামারিকালে অসহিষ্ণুতা, ঘৃণা, বিদ্বেষ ও উগ্র জাতীয়তাবাদের মত বিষয়গুলো বৃদ্ধি পাচ্ছে। শান্তির সংস্কৃতি প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে আমরা এ বিষয়গুলোর মোকাবিলা করতে পারি। শান্তিরক্ষী প্রেরণে বাংলাদেশের অবস্থান এখন শীর্ষে। সংঘাতপ্রবণ দেশসমূহে শান্তি প্রতিষ্ঠা ও শান্তি বজায় রাখতে আমাদের শান্তিরক্ষীগণ জীবনের ঝুঁকি নিয়ে কাজ করে যাচ্ছেন। তাদের সুরক্ষা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের অন্যতম দায়িত্ব।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ শুরু থেকেই যুদ্ধ বিরতিসহ তার অন্যান্য উদ্যোগসমূহকে সমর্থন জানিয়ে আসছে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ যেমন জাতিসংঘ সৃষ্টির মাধ্যমে বিশ্বের সকল দেশের ঐক্যবদ্ধ প্রয়াসের ওপর গুরুত্বারোপের সুযোগ সৃষ্টি করেছিল, তেমনি এই মহামারি আমাদের ঐক্যবদ্ধ হয়ে সঠিক নেতৃত্ব প্রদানের প্রয়োজনীয়তার বিষয়টি সামনে নিয়ে এসেছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাঙালি জাতির জন্য এ বছরটি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। এ বছর আমরা আমাদের জাতির পিতার জন্মশতবার্ষিকী উদযাপন করছি। বঙ্গবন্ধুর জীবন, সংগ্রাম, আত্মত্যাগ এবং সাফল্য আমাদের কোভিড-১৯-এর চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় যেমন সাহস যোগায়, তেমনি সংকটের উত্তরণ ঘটিয়ে নতুন দিনের আশার সঞ্চার করে।

তিনি বলেন, আমরা দুই বোন দেশের বাইরে থাকায় ঘাতকদের হাত থেকে রক্ষা পেয়েছিলাম। শরণার্থী হিসেবে আমাদের ৬ বছর দেশের বাইরে থাকতে হয়েছে। আমি জাতিসংঘ সাধারণ অধিবেশনে এই প্রসঙ্গটি উত্থাপন করছি এ জন্য যে, পৃথিবীর ইতিহাসে এরকম জঘন্য, নির্মম ও বেআইনি হত্যাকাণ্ড যেন আর না ঘটে।

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, শান্তির প্রতি অবিচল থেকে আমরা সন্ত্রাসবাদ ও সহিংস উগ্রবাদের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি গ্রহণ করেছি। মহামারির ফলে সৃষ্ট ঝুঁকি মোকাবিলায় জাতীয় উদ্যোগের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক সহযোগিতাও অপরিহার্য।

তিনি বলেন, পারমাণবিক অস্ত্রমুক্ত পৃথিবী বিনির্মাণে বৈশ্বিক আকাঙ্ক্ষার প্রতি আমাদের সমর্থন অবিচল। সে বিবেচনা থেকে পরমাণু প্রযুক্তির শান্তিপূর্ণ ব্যবহারের বিষয়ে উন্নয়নশীল দেশসমূহের কার্যক্রমকে আমরা জোর সমর্থন জানাই।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category