1. shahidteknaf11@gmail.com : Shahid Ullah Shaheed : Shahid Ullah Shaheed
  2. teknafsangbad@gmail.com : Teknafsangbad :
বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২০, ০৭:৪৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
টেকনাফে নারী ধর্ষন ও নির্যাতন বিরোধী সমাবেশ অনুষ্ঠিত টেকনাফ পৌরশহরের গনি মার্কেটে “ঢাকা কস্তুরী” হোটেলের খাবারে টিকটিকি আজ ৩২৫ করোনা টেস্টে টেকনাফে পজেটিভ ০ টেকনাফ-কক্সবাজারে ঝাঁকে ঝাঁকে ধরা পড়ছে ডিমওয়ালা ইলিশ টেকনাফে উপজেলার স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও সাংবাদিকদের নিয়ে এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত রোহিঙ্গাদের ফেরাতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের আরও কার্যকর ভূমিকা চান প্রধানমন্ত্রী চাল-ডাল, তেলের বাজার গরম , কমেছে আদা ও মুরগির দাম বাংলাদেশি প্রবাসীদের আকামার মেয়াদ ২৪ দিন বাড়িয়েছে সৌদি আরব ওমরাহ পালনে কাবা ঘর খুলে দিচ্ছে সৌদি টেকনাফে ছাত্র,ছত্রীদের ঘরে ঘরে বিস্কুট ও খেজুর পাঠালেন ইউএনও সাইফুল ইসলাম

টেকনাফ পৌরশহরের গনি মার্কেটে “ঢাকা কস্তুরী” হোটেলের খাবারে টিকটিকি

  • Update Time : বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর, ২০২০
  • ৮৪ Time View

মোঃ আরাফাত সানী, টেকনাফ সংবাদ:::

কক্সবাজার টেকনাফে পৌর শহরে অনেক খাবার হোটেলে অস্বাস্থ্যকর, নোংরা পরিবেশে খাবার তৈরীর অভিযোগের শেষ নেই। বিশেষ করে পৌর শহরের হোটেলে ১৪ নং গণি মার্কেটে নাস্তা করার সময় নাস্তার ডালে টিকটিকির সন্ধান পাওয়া যায়।

এই ঘটনা নিয়ে কাস্টমার ও হোটেল কতৃপক্ষের মধ্যে অনেক্ষণ বাকবিণ্ডা হয়। পরে ঘটনার সত্যতা পাওয়া গেলে হোটেল কতৃপক্ষে’র দায়িত্বরত ম্যানেজার কামাল ও গিয়াস উদ্দিন তৎক্ষনিক বয় ছেলে ও বাবু্র্চিকে চাকুরী থেকে বরখাস্ত করেছেন বলে জানান। এই “ঢাকা কস্তরী” হোটেলে দীর্ঘ দিন যাবত মায়ানমারের রোগাক্রান্ত ও অপরিষ্কার অপরিচ্ছন্ন বাবুর্চি ও বয় ছেলে দিয়ে রান্নাবান্না সহ খাদ্য পরিবেশন করে আসছিল।
হোটেলের রান্না ঘর ছাড়া বসার স্হান গুলো চকচকে পরিস্কার রাখলেও রান্নাঘর নোংরা অতিরিক্ত অপরিষ্কার। কাস্টমারগণ হোটেলের মূল অংশের চকচকে সুন্দর দেখে খাবারের জন্য ভিড় করে। কিন্তু অপরিষ্কার ও নোংরা পরিবেশ থেকে রান্না করে খাবার পরিবেশের করা হয় তা কিন্তু কিউ জানে না। প্রতি দিনের বাসি খাবার গুলো রেখে দিয়ে পরের দিনের রান্নাকৃত খাবারের সাথে মিশিয়ে বিক্রি করে বলে প্রত্যক্ষদর্শী একাধিক লোকজন জানিয়েছেন। এমনকি এই নোংরা পরিবেশের রান্না ঘরে, মরা মুরগী, বাশি মাছ,পরিত্যক্ত গরু, খাঁসির মাংস রান্না করে পরিবেশন করার অভিযোগেরও শেষ নেই। রাঁধার কাজে মায়ানমারের পুরুষের পাশাপাশি বিভিন্ন রোগে রোগান্নিত রোহিঙ্গা মহিলারা কাজ করে থাকে বলে প্রত্যক্ষদর্শী
সূত্রে জানা যায়। এর পাশাপাশি উক্ত হোটেলের মালিক গলাকাটা ব্যবসায়ী নামে পরিচিত,খাবারের জিনিসের দাম আকাশছোঁয়া। কোন কাস্তমার কর্ণপাত করে,এতো দাম কেন জানতে চাইলে তাকে হেনস্তা করে ছাড়ে,এমন অভিযোগও করেছেন,অনেক কাস্টমার ।নোংরা পরিবেশের জন্য অথিতে ভ্রাম্যমাণ
আদালত কর্তৃক অনেক টাকা জরিমানা করেছে। এরপরও হোটেল কতৃপক্ষের কোনো ধরণের টনক নড়েনি।টেকনাফের বিভিন্ন হোটেলে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে স্হানীয় হোটেলের পরিবেশ পরিস্কার পরিচ্ছন্ন ও খাবারের মান উন্নত করা, গলাকাটা দাম কমানোর লক্ষ্যে মানুষের সু-স্বাস্থ্য রক্ষার্থে উপজেলা প্রশাসনের প্রতি ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে শাস্তি প্রদানের জন্য জোর দাবী জানিয়েছেন সচেতন মহল।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category